প্রথম প্রেমের গল্প ( first love story) Love story

 বাস্তব একটি ছেলে এবং একটি মেয়ের প্রথম প্রেমের গল্প

প্রথম প্রেমের গল্প,first love story,Love story

আমি থাকি জয়পুরহাট আর আমার ভালোবাসার মানুষ টা থাকে নোয়াখালীতে আমাদের দুজনের বাড়ি কিন্তু একই জায়গায় আমি জয়পুরহাটে বি,ডি,আর,ক্যাম্পে কাজ করি আর আমার ভালোবাসার মানুষ টা বাড়িতে পড়াশোনা করতো। (প্রথম প্রেমের গল্প)




আমার জীবনে তার সাথে প্রথম প্রেম হয় তখন সময় ছিল ২০০৯ সাল, আমার কাছে কোন মোবাইল ছিল না তাদের ঘড়ে মোবাইল ছিল, আমি কয়েক মাস কাজ করে একটা কমদামি একটা মোবাইল কিনলাম তখন কিন্তু আমাদের ঘরে কোন মোবাইল ছিল না, তাই আমি প্রতিদিন তাদের ঘরে ফোন করতাম, কারণ তাদের ঘরের কাচাকাছি ছিল আমাদের ঘর তাই ফোন করে আমি আমার মায়ের সাথে কথা বলতাম, 

(আমার প্রথম প্রেম গল্প)




এই ভাবে কয়েক মাস আমি বাড়িতে কথা বলতে বলতে তার সাথে আমার আসতে আসতে ভালোবাসার সম্পর্ক হয়ে যায় কিন্তু তাদের ঘরের কেউ জানতো না আমাদের দুজনের সম্পর্কের ব্যাপারে এবং কি আমার ঘরেও যানতো না এই ভাবে আমরা দুই জনে কয়েক মাস কথা বলি কিন্তু হঠাত করে একদিন তার মামাতো এক ভাই আমাদের ফোনে কথা বলা শুনে যায়। 




তখন আমরা দুইজনে অনেক ভয় পেয়ে যাই পরে তখন তার মামাতো ভাই তাকে জিজ্ঞেস করে কার সাথে এতো কথা বলছিস তখন সে ভয়ে ভয়ে বলে সে আমার সাথে কথা বলছিল তার মামাতো ভাই আবার আমাকে চিনতো কারণ আমরা একই এলাকায় বাড়ি ছিল তখন তার মামাতো ভাই আর কিছু না বলে ওখান থেকে চলে যায়। (জীবনের প্রথম প্রেমের গল্প)



কিছুদিন পরে তার মামাতো ভাই তার বড় বোনকে আমাদের সম্পর্কটা কথা বলে দেয় তার বড় বোন আমাদের সম্পর্ক কথা শোনার পরে তার সাথে অনেক রাগারাগি করে এবং তার মা ভাই এবং সবাইকে বলে দেয় এবং আমার পরিবারের সবার সাথে তারা অনেক রাগারাগি করে এবং আমার  পরিবারকে তারা অনেক চিল্লাচিল্লি করেন আমাদের বাড়ি থেকে চলে যান। বাস্তব কথা



তার পরে থেকে তাকে আর কোনদিন আমার ফোন রিসিভ করতে দিত না একদিন হঠাৎ করে ও আমাকে তার আরেক মামার ঘর থেকে আমাকে ফোন কর,আমি হ্যালো বলি কিন্তু সে কথা বলে না আমি বললাম কে আপনি প্লিজ কথা বলুন, কিন্তু সে কথা বলে না শুধু কান্না করে তখন আমি বুঝতে পারলাম আসলে সে আমার ভালোবাসার মানুষটা কান্না করতেছে তখন আমি বললাম কেমন আছো সে আমাকে বলল আমি ভালো নেই তুমি ছাড়া। (প্রথম প্রেমের রোমান্টিক গল্প)




আমি বললাম এতদিন পরে আমার কথা মনে পড়লো সে বল তোমার কথা প্রতিদিন মনে পড়ে কিন্তু আমি তোমার ফোন রিসিভ করতে পারি না কারণ ঘরের সবাই আমাকে পাহারা দেয় আমি যেন সাথে কথা না বলতে পারি তাই আমি কোনদিনও তোমাকে ফোন দিতে পারি না, যাইহোক এখন তুমি কেমন আছো ভালো আছি তুমি কেমন আছো আমিও বললাম হ্যাঁ আমিও ভালো আছি কিন্তু তুমি ছাড়া কি ভালো থাকতে পারি কারণ তুমি যে আমার প্রথম ভালবাসা মানুষ এইভাবে আমরা কয়েক এ মিনিট কথা বলি কয়েক মিনিট কথা বলার পরে হঠাৎ তার ছোট বোন চলে আসে দেখে আমরা দুজনে তার মামার ঘরের মোবাইল থেকে কথা বলি তখন সে দূরে গিয়ে তার মাকে বলে দেয়। ( কলেজে প্রথম প্রেমের গল্প) কষ্টের স্ট্যাটাস




তখন সে আমাদের কথা শেষ না হওয়ার আগেই সে ফোনটা কেটে দিয়ে চলে যান পরে আবার আমি তার মামার ঘরে ফোন করি তখন তার এক মামাতো বোন আমার ফোনটা রিসিভ করে বলে ভাইয়া আপনি কেমন আছেন তো আমি বললাম আমি ভালো আছি তুমি কেমন আছো  সে বলল হ্যা ভাইয়া আমিও ভালো আছি সে আমাকে জিজ্ঞেস করে ভাইয়া আমাদের নাম আমাদের নাম্বারটা কোথায় পেলেন আমি বললাম একটু আগে তোমার ফুফাতো বোন আমাকে ফোন করেছিল আমি তোমাদের নাম্বারটা পেয়ে গেলাম তারপরে আমি তার মামাতো বোনকে একটা অপার করি, তুমি যদি তোমার  ফুফাতো বোনের সাথে আমার সাথে প্রতিদিন কথা বলার ব্যবস্থা করে দাও তাহলে তুমি আমার কাছে যা চাইবে আমি তোমাকে তাই দিব,সে বলে আমি যা চাইবো তা দিবেন আমি বলাম হে দিবো কি চাও তুমি সে আমাকে বল ভাইয়া আপনি আমাকে প্রতি সপ্তাহ আমাকে ৫০ টাকা করে দিতে হবে আমি বলাম ঠিক আছে আমি রাজি হয়ে গেলাম। (First love story)


প্রাবাসী কষ্টের স্ট্যাটাস 

তখন আবার চুরি করে আমাদের ভালোবাসা আবার আগের মত হয়ে যায় মনে হচ্ছিল এইভাবে হয়তো আমাদের সম্পর্কটা টিকে থাকবে, কিন্তু আমাদের দুইজনে কপাল অনেক খারাপ কারণ হঠাৎ করে তার বড় বোন আমাদের কথা বলা শুনে যায় তার পরে তার উপরে চলে আসে কঠিন নির্যাতন তাকে ঘরে নিয়ে অনেক মারধর করে, কিন্তু আমি জানিনা আবার তার মামাতো বোন আমাকে ফোন করে বলে ভাইয়া আপাকে অনেক মারধর করছে তখন পায় আমি পাগলের মত হয়ে গেলাম পরে আর কি করবো আমি আমার মাকে বলাম সরাসরি তাদের ঘরে গিয়ে আমাদের দুইজনে বিয়ের কথা বলতে আমার মা রাজি ছিলেন না কারণ তাদের সবাই আমাদের উপরে অনেক গালাগালি করচে আগে তাই। 



প্রথম প্রেমের গল্প,first love story,Love story




পরে আমি আমার মাকে বুজিয়ে বলে তার ঘরে আমাদের বিয়ের জন্য আমার মাকে তাদের ঘরে পাঠায় কিন্তু তাদের সবার কথা তারা আমার সাথে কোনদিন বিয়ে দিবেনা আমি বলাম কেন আমার সাথে বিয়ে দিবেনা তখন আমার মা বললেন ওরা বলচে আমি নাকি তাদের মেয়ের যোগ না, কারণ তখন আমাদের আর্থিক অবস্থান ভালো ছিলনা তাই পরে আমি আর কিছু না বলে ফোন টা কেটে দিলাম। (my first Love story)



পরে কয়েক মাস পরে আমি বাড়িতে চলে আসি বাড়িতে আসার কয়েক ঘন্টা পরে পরে তাকে দেখতে পাই কিন্তু অনেক চেষ্টা করলাম তার সাথে একটু কথা বলার জন্য কিন্তু পারলাম না। 



পরে ৫ থেকে ৬দিন পরে অনেক কষ্টে একটু কথা বলার সুযোগ পেলাম, সে আমাকে জড়িয়ে ধরে অনেক কান্না করা শুরু করলো কিছুতেই তার কান্না থামছেন তখন আমি তাকে অনেক বুঝিয়ে বলার পরে তার কান্না থামানো  তারপর আমরা কিছুক্ষণ কথা বলে দুইজন দুদিকে চলে গেলাম। 

(রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প)



কয়েকদিন পরে আবার আমি চলে যাই একটা কাজে খাগড়াছড়িতে, খাগড়াছড়িতে আমি কয়েক মাস কাজ করি, হঠাৎ এক কবিরাজের সাথে আমার কথা হয় তখন আমি আমার ভালোবাসার সব কথাগুলো তাকে বললাম সে কবিরাজ আমাকে বলল তুমি কিছু  টাকা খরচ করলে আমি তোমাদের দুইজনের বিয়ের ব্যবস্থা করে দিতে পারব আমি বললাম কত টাকা সে আমাকে বলল হাজার দুইয়েক টাকা হলেই হবে আমি বললাম আমি রাজি তবে কাজ কি হবে সে বলল ১০০% কাজ হবে তাতে আমি রাজি হয়ে যাই এবং তখন আমি কবিরাজকে এক হাজার টাকা দেই বললাম এখন আমার কাছে ১০০০ টাকা আছে আপনি ব্যবস্থা করেন বল ঠিক আছে আমি তোমার জন্য সব কিছু ব্যবস্থা করতেছি তো জানে না তো কবিরাজ কি করতে পারে তখন সে তার ব্যবস্থা করে আমাকে বলল তুমি বাড়িতে যাও এবং কি আমাকে কিছু জিনিস দেয় যে এগুলো তুমি তাকে দিও আর এগুলো তুমি তোমার সাথে রেখো কবিরাজের কথাই আমি সবকিছু ঠিকঠাক করলাম হঠাৎ তাদের পরিবারের সবাই আমার ওপর অনেক রেগে যাই চেয়ারম্যান এবং মেম্বারকে ডেকে আনে তখন চেয়ারম্যান আর মেম্বার জিজ্ঞেস করে তোমার সাথে তার কি সম্পর্ক আমি বললাম আমি তাকে ভালোবাসি তখন তাকেও জিজ্ঞেস করে এর সাথে তোমার কি সম্পর্ক সেও বলল আমি তাকে অনেক ভালোবাসি তখন মেম্বার চেয়ারম্যান দুজনে তাদের পরিবারকে বলল যেখানে দুজন দুজনকে ভালোবাসে সেখানে আমরা কিছু করতে পারবো না এই কথা বলে মেম্বার চেয়ারম্যান বাড়ি থেকে চলে যাই। (first love story book)


প্রথম প্রেমের গল্প,first love story,Love story





তারপরেও তার পরিবার রাজি হয়নি পরে আমি রাগ করে আবার চলে যাই খাগড়াছড়িতে এ কবিরাজ কে বললাম কি কাজ করলেন যেখানে ভালো হবার কথা উল্টোটা হয়ে গেলে কেন আরো ঝগড়া হয়ে গেল তখন কবিরাজ বলল আমি যেটা চেয়েছি সেটাই হয়েছে আমি বললাম এর মানে কি সে বলল এটার বলার আগেই কবি আজ আমাকে সব বলেছিল তোমাদের বাড়িতে মেম্বার চেয়ারম্যান আসছিল তারা তোমাদের বিয়ের কথা বলছিল তার পরিবার রাজি ছিল না তোমরা দুজনে রাজি ছিলে আমি বললাম হ্যাঁ তুমি কিভাবে জানলে সবকিছু এখান থেকে দেখেছি এখন কি করা যায় কবিরাজ আমাকে বলল মেয়েকে নিয়ে কোর্ট ম্যারেজ করো আমি বললাম মেয়ে রাজী হবে না সে বলল মেয়কে রাজি করানোর দায়িত্ব আমার আমি বললাম ঠিক আছে তাহলে তুমি এটাই কর। (ভালোবাসার গল্প)



তখন কবিরাজ কয়েকদিনের মধ্যে মেয়েকে কোর্ট ম্যারেজ করার জন্য রাজি করলো কবিরাজ, হঠাৎ আমাকে সে ফোন দিয়ে বলে চলো আমরা দুজনে কোর্ট ম্যারেজ করে বিয়ে করি নি আমি বললাম তুমি রাজি থাকলে আমার কোন সমস্যা নাই  কারন আমার পরিবার রাজি ছিল তাই, তার আবার বাড়িতে চলে আসি আসার পরে আমি তাকে নিয়ে সরাসরি চলে গেলাম কোটে, দরকারি সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে একজন কাজীর সাথে দেখা করলাম কাজী বলল সবকিছু ঠিক আছে কিন্তু  তোমাদের দুইজনের সাক্ষী লাগবে আমি তো আজকে বললাম আপনি একটু ম্যানেজ করেন তখন কাজি বলল ঠিক আছে ২০০ টাকা করে দাও আমি দুইজন সাক্ষীর ব্যবস্থা করে আমি বললাম ঠিক আছে আপনি ব্যবস্থা করেন তারপরে সবকিছু ঠিক ঠাক করে কাজি আমাদের দুজনের বিয়ে পড়ায় পরে আমি তাকে নিয়ে আমার বড় ভাইয়ের বাসাতে যায় পরে আমার বড় ভাই সবকিছু বুঝতে পেরে  আমাদের দুজনকে মেনে নেয় কয়েক দিন আমি আমার বড় ভাইয়ের বাসাতে এইভাবে থাকি পরে যেদিন এক মাস হল তার পরিবার থেকে আমাদের দুজনকে মেনে নেয় আমাদের ভালোবাসা পূরণ হল। (কষ্টের গল্প)


তো আমাদের ভালোবাসার গল্পটা এইভাবে শেষ হয় 


এটা একটা বাস্তব ভালোবাসার গল্প 


আমাদের ভালোবাসা জীবন টা কেমন হয়চে একটা কমেন্ট করে জানাবেন 


স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ